২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ৮ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

প্রচ্ছদ বিনোদন সঙ্গীতে ৫০ বছর পূর্তিতে তিমির নন্দীর ‘মেঘলা দু’চোখ’
১৩, অক্টোবর, ২০১৯, ৯:১৮ অপরাহ্ণ -

বিনোদন তথ্যপ্রতিদিন

সঙ্গীতে ৫০ বছর পূর্তিতে তিমির
নন্দীর ‘মেঘলা দু’চোখ’
শিল্পী তিমির নন্দী। অস্ত্র দিয়ে নয়, কণ্ঠ দিয়ে যুদ্ধ করেছিলেন তিনি। স্বাধীন বাংলাদেশ বিনির্মাণে তার ভূমিকাও তাই অসামান্য। ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্র থেকে গলা ছেড়ে গেয়েছেন। মুক্তিকামী যোদ্ধাদের দিয়েছেন অনুপ্রেরণা। খ্যাতিমান এই শিল্পীর সঙ্গীত ক্যারিয়ারের ৫০ বছর পূর্তি হয়েছে এ বছর। ১৯৬৯ সাল থেকে তিনি নিয়মিত গান গেয়ে যাচ্ছেন। বর্ণাঢ্য এই সঙ্গীত জীবনের সুবর্ণ জয়ন্তীতে দেশের অন্যতম অডিও-ভিডিও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জি সিরিজের ব্যানারে ‘মেঘলা দু’চোখ’ নামে নতুন একটি অ্যালবাম প্রকাশিত হলো।
শুক্রবার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর শাহবাগস্থ জাতীয় জাদুঘরের বেগম সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে আমরা সূর্যমুখীর আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো এর প্রকাশনা অনুষ্ঠান।
এতে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সেনা প্রধান লে. জে. হারুনুর রশীদ বীর প্রতীক, নাট্যজন পীযুষ বন্দ্যোপাধ্যায়, কণ্ঠশিল্পী সাদিয়া আফরীন মল্লিক ও বিকন ফার্মাসিউটিক্যালসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবায়দুল করিম। স্বাগত বক্তব্য দেন আমরা সূর্যমুখী’র নির্বাহী পরিচালক শফিকুল ইসলাম সেলিম।
তিমির নন্দী বলেন, দীর্ঘ ১০ বছর পর অ্যালবাম প্রকাশ করছি। এর আগে ২০০৯ সালে আমার সঙ্গীত জীবনের ৪০ বছর পূর্তিতে একটি অ্যালবাম প্রকাশ করেছিলাম। এবারের অ্যালবামে মোট ১৪টি গান থাকছে। সবগুলো গানই মৌলিক আধুনিক গান।
‘মেঘলা দু’চোখ’ অ্যালবামে সংগৃহিত গানগুলোর শিরোনাম- ‘দুটি পাখী মিলে বাঁধে’, ‘ভালোবেসে সবাই যদি’, ‘আমার মেঘলা দু’চোখ’, ‘সিঁদুরে মানায় ভালো’, ‘যখন ডেকেছি কাছে’, ‘জীবনের বাঁকে যদি’, ‘ঐ দু’টি চোখ’, ‘শুধু মন ছুঁয়ে যায়’, ‘ও নদী তোরই বুকে চলেছি’, ‘কতবার মনকে বলেছি’, ‘তুমি ছিলে এই জীবনে’, ‘কেঁদো না সেদিন তুমি’, ‘এই হৃদয় ছুঁয়ে’ ও ‘তুমি চলে গেছো’।
অ্যালবামের সবগুলো গানের রেকর্ডিং হয়েছে কলকাতার ধ্বনি স্টুডিওতে। এর সঙ্গীতায়োজন করেছেন বুদ্ধদেব গাঙ্গুলি। যিনি সলিল চৌধুরীর সহকারী ছিলেন।
শুভেচ্ছা বক্তব্য শেষে গত শুক্রবারের জাদুঘরের সন্ধ্যাটি সুরে সুরে ভরে উঠেছিল। একে একে তিমির নন্দীর কণ্ঠে বেজে ওঠে সোনালি দিনের অমর সুরের গানগুলো। মিলনায়তনে তখন উপচে পড়া দর্শক শ্রোতা। আলোর ঝর্ণাধারা যেন বইছিল গানের সুরের তালে তালে।