৫ই ডিসেম্বর, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ , ২০শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

প্রচ্ছদ সারা বাংলা বেনাপোল বাসীর প্রতিটি নিশ্বাসে অশান্তি
২১, অক্টোবর, ২০১৯, ১১:২৭ পূর্বাহ্ণ -

আসাদুজ্জামান রিপন (বেনাপোল -যশোর) :

 

প্রতিটি নিঃশ্বাস মৃত্যুর পথে ধেয়ে যাচ্ছে বন্দর শহর বেনাপোলের বাসিন্দারা।

শুধু বেনাপোলের বাসিন্দারা নয় এই শহরে আগত ভারত ও বাংলাদেশের হাজার হাজার মানুষ ও একই ভাবে মৃত্যু দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

প্রতিদিন বেনাপোল চেকপোষ্ট থেকে পৌর শহরের দীর্ঘ পথ ধুলা, বালিতে আচ্ছন্ন হয়ে থাকায় এই পরিস্থিতি তৈরী হয়েছে।

বেনাপোল টু যশোর সড়কের উন্নয়ন কাজ শুরু হয়েছে প্রায় এক বছর । সমস্ত রাস্তা খুড়ে নতুন করে নির্মানের এই কাজের জন্য বালি, মাটি, খুয়া, পাথর ফেলানো হয়েছে রাস্তা জুড়ে।

আর এই রাস্তায় সকল প্রকার যন্ত্র চালিত যানবাহন চললেই রাস্তাই ধুলায় আচ্ছন্ন হয়ে যায়। যে কারনে মানুষ স্বাভাবিক নিঃশ্বাস নেওয়ার পরিবেশ থাকে না। সুস্থ ও সবল মানুষও কাশতে কাশতে শ্বাস কষ্টে অসুস্থ হয়ে পড়ছে।

বেনাপোল শহরের রাস্তার দু’ধারের দোকান, পাট সব কিছুই ধুলা বালির কারনে খাদ্য সামগ্রিতেও রোগের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে।

সরজমিনে দেখা গেছে, সকাল থেকে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে শত বাস ও , ট্রাক সহ বিভিন্ন যন্ত্র চালিত যানবাহন বেনাপোলে আসছে। তেমনি যাচ্ছে পন্যবাহী শত শত ট্রাক, যাত্রীবাহী বাস।

যান চলাচলের সময় রাস্তার ধুলা উড়ে ঘন কোয়াশায় পরিনত হচ্ছে।তখন বাস বা ট্রাকের পিছনে কোন কিছুই দেখা যাচ্ছে না।

স্থানীয় চিকিৎসকরা বলছেন এই ধুলা বালির পরিবেশের কারনে প্রতিটি নিশ্বাস মানুষের দেহে শত শত রোগের জীবানু প্রবেশ করছে।

আর যারা এ্যাজমা বা এলার্জি রোগে আক্রান্ত তাদের জন্য মৃত্যুময় পরিবেশ তৈরী হয়েছে। ধুলা বালিতে আক্রান্ত বেনাপোল শহরের মানুষ বলছে রাস্তার উন্নয়ন কাজ যত দিন শেষ না হয় ততদিন পানি দিয়ে ভিজিয়ে চলাচল উপযোগি করা জরুরী।

বেনাপোলের মত এমন অবস্থা শার্শা, নাভারনে। কাজ এখনো শুরু করেন নাই

বেনাপোলে কাজ কবে হবে এইটা কারো জানা নেই বর্তমানে চলছে তাদের ইচ্ছামত কাজ টু যদি বেশি করে পানি দেওয়া হয়। কবে বহু মানুষের জীবন বেঁচে যেতে পারে ভাই দয়া করে একটু বেশি করে পানি দিবেন বেনাপোল বাসীকে সুস্থ থাকার সুযোগ করে দিন।

এ ব্যাপারে বেনাপোলের বিশিষ্ঠ সি এন্ড এফ ব্যবসায়ী শান্তা এন্টার প্রাইজ এর মতিয়ার রহমান বলেন, এ বছর বৃষ্টি কম।

যে কারনে বেনাপোল টু যশোর সড়টি নির্মানাধীন রাস্তায় প্রচুর পরিমানে ধুলা বালি থাকায় রাস্তায় চলাচলে চরম ভাবে অসুবিধা হচ্ছে।

প্রতিদিন সকাল থেকে রাত অবধী যন্ত্র চালিত যানবাহন চলায় দোকান, অফিসে ধুলোর স্তর পড়ে যাচ্ছে। যে কারনে শ্বাস কষ্ট বৃদ্ধি সহ বিভিন্ন রোগের সৃষ্টি হচ্ছে। তিনি বলেন বেনাপোল শহর ছোট হলেও অনেক লোকের বাস।

ধুলা বালির কারনে এ সমস্থ লোকের চলাচল ও ব্যবসা বানিজ্যে চরম বিঘ্ন হচ্ছে।এইসবের জন্য দায়ী একমাত্র টেন্ডার নিয়েছেন তারাই।

যারা টেন্ডার নিয়েছেন তাদের একটু সচেতন হওয়া উচিত এতগুলো মানুষের জীবন নিয়ে খেলা করার অধিকার তাদের নেই এর জন্য দায়ী কে হবেন একটু বলুন।

এ ব্যাপারে শার্শা গ্রামের সংবাদেও প্রকাশক ও সম্পাদক বলেন ঠিকাদারের দায়িত্ব অবহেলার কারনে বেনাপোল ধুলার শহওে পরিনত হয়েছে।

তিনি বলেন দ্রুত কাজ শেষ করতে। তা না হলে প্রতিদিন ধুলা বন্ধ করতে বেনাপোল শহরে রাস্তায় একাধিক বার পানি দিয়ে রাস্তা ভেজাতে হবে বলে জানান।

এ ব্যাপারে পথচারি,ইজবাইক চালক সহ অনেকের অভিযোগ বেনাপোল মহরের রাস্তায় চলতে অনেক কষ্ট হয়। তারা জানান, রাস্তায় চলতে ঠিকমত নিশ্বাস নেওয়া যায়না।

চেখে ধুলা বালি যেয়ে অসুবিধা হয়। রাস্তায় ধুলা বালি থাকলেও ঠিকমত পানি ছিটানো হয়না।

বিষয়টি কতৃপক্ষের দৃষ্টি প্রয়োজন।এবং দিনে তিন থেকে চারবার পানি মারা কথা থাকলেও দিনে একবারও পানি মারেন না এইভাবে যদি আর কিছুদিন চলে।
বেনাপোল বাসী অকালে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
এমন পরিস্থিতি থেকে মুক্তি দেয়ার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন ভুক্তভোগী জনসাধারণ ।

error: বিনা অনুমতিতে কপি করা আইনত দণ্ডনীয় !!