১৫ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ১লা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

প্রচ্ছদ সারা বাংলা শার্শার রুদ্ররপুর গ্রামের হায়দার আলী বিরুদ্ধে ৫ লক্ষ ঠাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ।
২৩, অক্টোবর, ২০১৯, ১১:১০ পূর্বাহ্ণ -

আসাদুজ্জামান রিপন (বেনাপোল -যশোর) :

যশোরের শার্শা রুদ্রপুর গ্রামের হায়দার আলী নামে

ভন্ড এক প্রতারক ৫ লাখ টাকা ধার নিয়ে ফেরত না দিয়ে নানা রকম টালবাহানার অভিযোগ উটেছে।

অভিযোগ করেছেন সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার কিসমত ইলিশপুর গ্রামের শেখ নূর ইসলামের ছেলে হত দরিদ্র শেখ আব্দুস সালাম।

তবে ভুক্তভোগীদের মারফত জানা জায় হায়দার আলীর এই প্রতারকের টাকা তাহার পিতার মাধ্যমে আমবাগান, জমি সহ অনেক সম্পত্তির ক্রয় করছে।এমনকি টাকার জন্য তাদের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করলে হায়দারের পিতা হুমকি ধামকী দিতে পিছপা হয়না। এবং পাওনাকৃত টাকা যাতে ফিরত না দিতে হয় সেজন্য পারিবারিক ভাবে তাহাকে সরিয়ে দেয়।
পাওনাদার শেখ আব্দুস সালাম অভিযোগ করে বলেন,শার্শার রুদ্রপুর গ্রামের ইনসাফ আলীর ছেলে বহুরূপ ধারন কারী প্রতারক হায়দার আলী পূর্ব পরিচিত।সে সুযোগ কে কাজে লাগিয়ে টাকার বিশেষ প্রয়োজন দেখিয়ে হায়দার আলী ওরফে প্রতারক হায়দার গত ১৭/০৩/১৯ তারিখে হাওলাদ হিসাবে এককালীন প্রমান শর্তসাপেক্ষে ৪ লাখ টাকা নেয় এবং মূল ৪ লাখ টাকা ও লভ্যাংশ বাবদ ৩৬ হাজার মোট ৪ লাখ ৩৬ হাজার টাকা ফেরত দেওয়ার নিমিত্তে ২০০টাকার ষ্টাম্পের একটি অঙ্গীকার নামায় সাক্ষীগনের সামনে স্বাক্ষর প্রদান করে।

পাশাপাশি লভ্যাংশসহ ৫ লাখ টাকা
পরিশোধের নিমিত্তে রুপালী ব্যাংক লিমিটেড বাগআঁচড়া শাখা,যশোরে সঞ্চয়ী হিসাবনম্বর-৫৫৯৫০১০০০৩২১৯ হইতে ৫ লাখ টাকার একটি চেক প্রদান করে।যার নম্বর-SBLS 3581 তারিখ-০৭/০৭/১৯ ইং।

পরবর্তীতে চেকটি উল্লেখিত তারিখে
নগদায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট রুপালী ব্যাংক লিমিটেড বাগআঁচড়া শাখায় জমা প্রদান করিলে উক্ত হায়দার আলী নামীয় হিসাবে উপস্হাপন করিলে হিসাবে পর্যাপ্ত পরিমান টাকা জমা না থাকায় চেকটি ডিজঅনার হয়।যার পরিপেক্ষিতে উক্ত ব্যাংক বিগত ০৯/০৭/১৯ তারিখে একখানা ডিজঅনার স্লিপসহ চেকটি ফেরত প্রদান করে।

অবশেষে টাকা ফেরতের আশায় হায়দার আলী সহ তার পরিবারের কাছে বহুবার ধর্না দিয়ে কোন উপায়ান্তর না পেয়ে যশোর কোর্টের একজন আইনজীবীর মাধ্যমে চেক ডিজঅনারের বিষয়টি উল্লেখ পূর্বক পাওনা টাকা পরিশোধের জন্য ৩০ দিনের সময় দিয়ে ১৫/০৭/১৯ তারিখে আসামী হায়দার আলী বরাবর রেজিষ্ট্রী ডাকযোগে একটি লিগ্যাল নোটিশ প্রদান করি।যা নিজ স্বাক্ষর পূর্বক গত ১৯/০৭/১৯ তারিখে গ্রহনও করে।কিন্তু পরিতাপের বিযয় আসামী নোটিশটি পাওয়া সত্বেও আমার টাকা পরিশোধের কোন উদ্দোগ নেয়নি প্রতারক হায়দার আলী।বরং সে ও তার পরিবার নানা রকম হয়রানী মূলক টালবাহানা করে। টাকাটি ফেরত না পেয়ে আমি পরিবার পরিজন নিয়ে বর্তমানে খুবই অসহায় ও মানবেতর জীবন যাপন করছি

অবশেষে আমি টাকাটি ফেরত পাওয়ার আশায় যশোর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট শার্শা আমলী আদালতে হায়দার আলীর বিরুদ্ধে এন,আই,এ্যাক্টের ১৩৮ ধারায় একটি মামলা দায়ের করি।যার মামলা নং- সি আর-২৭২/১৯ তারিখ-২৮/০৮/১৯ইং।

এব্যাপারে বাদী অভিযোগ কারী শেখ আব্দুস সালাম টাকাটি ফেরত পাওয়ার আশায় প্রশাষন সহ উর্ধর্তন কর্তৃপক্ষের আশু জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।