১৮ই মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ৪ঠা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

প্রচ্ছদ সারা বাংলা ঠাকুরগাঁওয়ে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত।
২৩, অক্টোবর, ২০১৯, ৬:৪৩ অপরাহ্ণ -
মোঃ মজিবর রহমান শেখ ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি,,
জীবনের আগে জীবিকা নয়,সড়ক দুর্ঘটনা আর নয়’এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জেলা প্রশাসন-বিআরটিএ-সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের আয়োজনে ঠাকুরগাঁও জেলায় নিরাপদ সড়ক দিবসের র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ২২ অক্টোবর
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯ টায় জেলা প্রশাসন চত্বর হতে জেলা প্রশাসক ড.কেএম কামরুজ্জামান সেলিম এর নেতৃত্বে এক বণার্ঢ্য র‍্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা পরিষদ মিলনায়তনে গিয়ে শেষ হয়। পরে জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট শীলাব্রত কর্মকারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর মোসফেকুর রহমান, বিআরটিএর উপ পরিচালক ইঞ্জি.মো.ফারুক আলম, সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: মনসুরুল আজিজ, ট্রাফিক পরিদর্শক আবু রায়হান সিদ্দিক, প্রেসক্লাবের সভাপতি মনসুর আলী, নিরাপদ সড়ক চাই ঠাকুরগাঁও জেলার সাধারণ সম্পাদক ননী গোপাল বর্মন প্রমূখ।
অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জেলা ট্রাক মালিক ও ট্যাংক লড়ি সমিতি, বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন, গাড়ী চালক সমিতি, স্কাউস সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষাথীবৃন্দ। বক্তারা বলেন, সরকারের এসডিজি অনুযায়ী ২০২০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনা অর্ধেকে কমিয়ে আনার ব্যাপারে বদ্ধপরিকর।
এ জন্য সরকার গাড়ী চালকদের প্রশিক্ষণ, রাস্তা প্রশস্তকরণ, ডিভাইডার নিমার্ণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে জেব্রা ক্রসিং, রাস্তার মোড়ে মোড়ে ট্রাফিক সাইন দেওয়া সহ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহন করেছে।
বক্তারা আরও বলেন, আপনাদের সচেতনতার বিকল্প নাই। আমাদের পারিবারিক ভাবে সচেতন হতে হবে। আপনি সচেতন হলে পরিবার সচেতন হবে। সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সকলকে সচেতন হয়ে পথ চলতে হবে।
নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। এই দায়িত্বটা শুধু গাড়ি চালকের না পথচারী থেকে শুরু করে সকল জনগনের দায়িত্ব।
শোভাযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন, সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের জেলা নিবার্হী প্রকৌশলী মনসুরুল আজিজ, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী গৌরাঙ্গ চন্দ্র বর্মন, সহকারি প্রকৌশলী কায়ছার আহম্মেদ, উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ জুয়েলুর রহমান, রায়হান মিয়া, জয় কিশোর রায়,এস এসি মোঃ বাদশাহ আলমগীরসহ অত্র দপ্তরের সকল স্তরের কর্মচারীবৃন্দ।