১৯শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

প্রচ্ছদ অপরাধ, সারা বাংলা দেশব্যাপী দুদক এনফোর্সমেন্ট টিমের ৬ টি অভিযান পরিচালিত।
১১, নভেম্বর, ২০১৯, ৯:৩৬ অপরাহ্ণ -

চীফ রিপোর্টারঃ

অভিযান নং – ০১ঃ
খুলনায় ফেরি পারাপারে অবৈধভাবে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগে সমন্বিত জেলা কার্যালয়, খুলনার সহকারী পরিচালক তরুন কান্তি ঘোষের নেতৃত্বে একটি অভিযান পরিচালিত হয়। সরেজমিন অভিযান পরিচালনা করে টিম মাঝারী ট্রাকের জন্য সরকার নির্ধারিত ১০০ টাকার পরিবর্তে ৮০০ টাকা, ছোট ট্রাকের ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত ৪০ টাকার পরিবর্তে ৩৫০ টাকা, ইজিবাইক এবং ছোট পণ্যবাহী যন্ত্রচালিত ভ্যানের জন্য ৫ টাকার পরিবর্তে ২০ টাকা গ্রহণের সত্যতা পায়। তাৎক্ষণিকভাবে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে টোল আদায়কারী দুই দালালকে ২ মাস ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ২৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ১৫ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। এছাড়াও ইজারাদারকে এরূপ অনিয়মের পুনরাবৃত্তি রোধে সতর্ক করা হয়েছে।

অভিযান নং ০২ ও ০৩ঃ
লক্ষ্মীপুরে ড্রাগ লাইসেন্স প্রদানে অনিয়মের অভিযোগে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরে অভিযান পরিচালনা করেছে দুদক। দুদক হটলাইনে অভিযোগ আসে, ড্রাগ লাইসেন্স প্রদানের জন্য সরকার কর্তৃক ধার্যকৃত ফি ১৪৫০ টাকা হলেও আবেদনকারীদের জিম্মি করে অধিক টাকা নেওয়া হচ্ছে। তৎপ্রেক্ষিতে সমন্বিত জেলা কার্যালয়, নোয়াখালীর সহকারী পরিচালক সুবেল আহমেদের নেতৃত্বে আজ এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানকালে টিম দৈবচয়ন পদ্ধতিতে ড্রাগ লাইসেন্স প্রদান করা হয়েছে এমন কয়েকজনের সাথে কথা বলে ১৪৫০ টাকার পরিবর্তে ২০ থেকে ৪০ হাজার টাকা গ্রহণের তথ্য পায়। সকলেই জানান এভাবে অধিক অর্থ প্রদান না করলে ড্রাগ লাইসেন্স পাওয়া যায় না। এ অনিয়মের বিরুদ্ধে বিস্তারিত অনুসন্ধানের অনুমোদন চেয়ে কমিশনে প্রতিবেদন উপস্থাপন করবে অভিযান পরিচালনাকারী টিম।
একই টিম লক্ষীপুরের চর রহিতা গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য অনৈতিকভাবে টাকা আদায়ের অভিযোগে অপর একটি অভিযান পরিচালনা করেছে। দুদক অভিযোগ কেন্দ্রে এক ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন যে, তিনিসহ তার গ্রামের ৬০টি পরিবার বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য আবেদন করলে বিদ্যুৎ অফিসের কতিপয় দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিযুক্ত দালালরা পরিবারপ্রতি ৬০০০ টাকা করে গ্রহণ করেন। অথচ দেড় বছর অতিক্রান্ত হলেও বিদ্যুৎ সংযোগ না প্রদান করে এলাকার নিরীহ জনসাধারণকে ভোগান্তির শিকার করা হচ্ছে। উক্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরেজমিনে অভিযান পরিচালনা করে দুদক টিম অভিযোগের সত্যতা পায়। টিম এ বিষয়ে এলাকাবাসীর সাথে কথা বললে প্রত্যেকেই বিদ্যুৎ সংযোগ গ্রহণের জন্য টাকা প্রদান করতে বাধ্য হয়েছেন মর্মে জানান। প্রাথমিক বিশ্লেষণে আব্দুল কাদের নামক একজন ঠিকাদার এ অনৈতিক কর্মের সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত জানতে মর্মে দুদক টিম পারে। এ বিষয়ে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনাপূর্বক পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

অভিযোগ নং – ০৪, ০৫ ও ০৬ঃ
এছাড়াও যথাযথভাবে শ্রেণিপাঠ প্রদান না করে কোচিং বাণিজ্য করার অভিযোগে, ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সরকারি জমি ভোগ-দখল করার অভিযোগে এবং দুস্থদের জন্য সরকারিভাবে বরাদ্দকৃত ঘর প্রদানে ঘুষ দাবির অভিযোগে যথাক্রমে প্রধান কার্যালয় ও সমন্বিত জেলা কার্যালয়, পাবনা হতে ৩টি পৃথক এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালিত হয়েছে।