২১শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

প্রচ্ছদ শেরপুর নকলায় চুক্তিবদ্ধ আলু চাষীদের আগাম পরামর্শদানে ব্যস্ত বিএডিসি’র কর্মকর্তারা
১৫, নভেম্বর, ২০১৯, ৮:০৪ অপরাহ্ণ -

শেরপুর প্রতিনিধি:

শেরপুর জোনের নকলা উপজেলায় চলতি মৌসুমে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) এর আওতায় গুনগত মানের আলু বীজ উৎপাদনের লক্ষ্যে চুক্তিবদ্ধ আলু চাষীদের আগাম পরামর্শদানে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন বিএডিসি আলু হিমাগারের উপপরিচালকসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

এর ধারাবাহিকতায় গুনগত মানের আলু বীজ উৎপাদনের লক্ষ্যে ১৪ নভেম্বর বৃহস্পতিবার বিকেলে বিএডিসি আলু হিমাগারের মিলনায়তনে উপজেলার চুক্তিবদ্ধ আলু চাষীদের সাথে মতবিনিময় সভা করা হয়েছে। তাছাড়া ভালো ও গুনগত মানসম্পন্ন বীজআলু উৎপাদনের লক্ষ্যে কৃষকদের মাঝে লিফলেট বিতরন করাসহ বিভিন্ন আগাম পরামর্শ প্রদান করা হয়। এসময় বিএডিসি আলুবীজ হিমাগারের উপ-পরিচালক (টিসি) কৃষিবিদ মো. রফিকুল ইসলাম, উপ-সহকারী পরিচালক মো. মিজানুর রহমান এবং বিভিন্ন ব্লকের চুক্তিবদ্ধ অনেক আলুচাষী বক্তব্য রাখেন।

উপ-সহকারী পরিচালক মো. মিজানুর রহমান জানান, বিএডিসি’র আওতায় কৃষকের উৎপাদিত আলু গ্রেডিং করার পর সরকারি ভাবে নির্ধারিত মূল্যে কিনে নিয়ে হিমাগারে সংরণ করা হয়। পরে হিমাগারে সংরতি ওই বীজআলু সরকারের নির্ধারিত মূল্যে কৃষকদের কাছে বিক্রি করা হয়। তাতে ভালোমানের বীজআলু কিনা এবং তাদের উৎপাদিত আলু সরকারের কাছে ন্যায্য মূল্যে বিক্রি করায় দুই দিকেই কৃষক লাভবান হচ্ছেন।

উপ-পরিচালক (টিসি) কৃষিবিদ মো. রফিকুল ইসলাম জানান, উপজেলায় এবছর ডায়মন্ড, কার্ডিনাল জাতের আলু বেশি চাষ করা হবে। তিনি জানান, এবছর উপজেলার ১৯টি ব্লকের ৩৫ জন চুক্তিবদ্ধ আলু চাষীদের মাধ্যমে ২৭০ একর জমিতে বিএডিসি’র আলু বপন করার লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, গত বছর ২০১৮ সালে উপজেলার ৩০টি ব্লকের ৩০০ একর জমিতে উৎপাদিত ভালো ও গুনগত মানের এক হাজার ৬৩৫ মেট্রিকটন বীজআলু চুক্তিবদ্ধ চাষীদের কাছে ক্রয় করা হয়েছিলো; এবং ক্রয়কৃত বীজ আলুর মূল্য পরিশোধ করা হয় এক কোটি ৮৬ লাখ ৪ হাজার ৮৫৯ টাকা।