২৫শে এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ১২ই বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

প্রচ্ছদ সারা বাংলা রাজধানীতে নকল প্রসাধনী কারখানায় র‍্যাব-৩ এর অভিযান আটক ৩
১৫, নভেম্বর, ২০১৯, ১০:৫৫ অপরাহ্ণ -

চীফ রিপোর্টারঃ

রাজধানীর বংশাল থানাধীন সৈয়দ নজরুল ইসলাম স্মরণী এলাকায় নকল প্রসাধনী সামগ্রী মজুদ ও নকল প্রসাধনী তৈরী করার অপরাধে এক জনকে ৩ মাসের কারাদন্ড এবং ২ জনকে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে র‍্যাব-৩ এর ভ্রাম্যমান আদালত।

শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) সকালে র‍্যাব-৩ এর স্টাফ অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) ফায়জুল ইসলাম বিএননিউজকে এসব তথ্য জানান। এবং র‍্যাব-৩ এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আক্তারুজ্জামানের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত হয়।

এ অভিযানে আটককৃতরা হলেন- মিজান (৩৫), কামরুল ইসলাম (৬০), শাহাদাৎ হোসেন (২৮), ৩ মাসের কারাদন্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমান আদালত। এসময় ৩টি দোকান ও দোকানের গোডামঘর থেকে ২ হাজার ২০০ বোতল বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নকল শেম্পু, ৩২৪ পিস নকল জনসন বেবী লোশন, ৫০০ টি জনসন বেবী লোশনের খালী বোতল, ১০০ পিস হিমালিয়া ফেশ ওয়াশ এর লকল বোতল, ৫০০ টি স্ট্রিকার, ১০০ লিটার তরল লোশন এবং ১০০ পিস শেভিং ফোম জব্দ করে ধ্বংস করা হয়।

তিনি বলেন, রাজধানীর বংশাল থানাধীন সৈয়দ নজরুল ইসলাম স্মরণী এলাকায় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী নকল প্রসাধনীসামগ্রী মজুদ এবং তৈরী করে আসছে বলে আমরা জানতে পারি। এমন তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল র‍্যাব-৩ এই এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন।

ফায়জুল ইসলাম বলেন, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী নকল প্রসাধনীসামগ্রী মজুদ এবং নকল প্রসাধনী তৈরী করে সাধারণ মানুষের সাথে দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণা করে আসছে।

ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার সময় র‍্যাব-৩ এর মেজর মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম ও এএসপি রবিউল ইসলামসহ র‍্যাব সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এ অভিযানে আটককৃতরা হলেন- মিজান (৩৫), কামরুল ইসলাম (৬০), শাহাদাৎ হোসেন (২৮), ৩ মাসের কারাদন্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমান আদালত। এসময় ৩টি দোকান ও দোকানের গোডামঘর থেকে ২ হাজার ২০০ বোতল বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নকল শেম্পু, ৩২৪ পিস নকল জনসন বেবী লোশন, ৫০০ টি জনসন বেবী লোশনের খালী বোতল, ১০০ পিস হিমালিয়া ফেশ ওয়াশ এর লকল বোতল, ৫০০ টি স্ট্রিকার, ১০০ লিটার তরল লোশন এবং ১০০ পিস শেভিং ফোম জব্দ করে ধ্বংস করা হয়।

তিনি বলেন, রাজধানীর বংশাল থানাধীন সৈয়দ নজরুল ইসলাম স্মরণী এলাকায় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী নকল প্রসাধনীসামগ্রী মজুদ এবং তৈরী করে আসছে বলে আমরা জানতে পারি। এমন তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল র‍্যাব-৩ এই এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন।

ফায়জুল ইসলাম বলেন, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী নকল প্রসাধনীসামগ্রী মজুদ এবং নকল প্রসাধনী তৈরী করে সাধারণ মানুষের সাথে দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণা করে আসছে।

ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার সময় র‍্যাব-৩ এর মেজর মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম ও এএসপি রবিউল ইসলামসহ র‍্যাব সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।