১৯শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

প্রচ্ছদ জেলা/উপজেলা, ময়মনসিংহ ধোবউড়ার পোড়াকান্দুলিয়া রাওতি গ্রামবাসীর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির নামে পাহাড়সম অভিযোগের তথ্য প্রকাশ।।
১৬, নভেম্বর, ২০১৯, ১০:০২ অপরাহ্ণ -

ধোবাউড়া প্রতিনিধি(বার্নার্ড সরকার)-ঃ

ময়মনসিংহের জেলার সীমান্তবর্তী উপজেলা ধোবউড়া উপজেলার ৪নং পোড়াকান্দুলিয়া ইউনিয়নের কন্টাক্ট্রর আঃ সালাম, পিতা মৃত-তুরাবালী গ্রাম আংড়া।(রাওতি গ্রাম ওয়ার্ড নং ৬) বিদ্যুতের নামে দালালি ব্যবসা চলছে জমজমাট বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য প্রশাসনের সাহার্য্য একান্তই প্রয়োজন মনে হচ্ছে দেশ ও জন সার্থে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষে নেতৃবৃন্দুরা বিষয়টি খুব ভালো করে দেখার প্রয়োজন কেননা সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হচ্ছে/ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের মানবকল্যাণে বিদ্যুৎ

শহরে নগরে গ্রামে ও পথে প্রান্তরে যত বৈদ্যুতিক বাতি জ্বলে তা বিজ্ঞানেরই এক বিস্ময়কর অবদান। পৃথিবীর সভ্যতাকে হাজার বছরের পথ এগিয়ে দিয়েছে এ বিদ্যুৎ। বর্তমান সম্পন্ন পৃথিবী আর বিদ্যুৎহীন কল্পনা করতে গেলে বিদ্যুতের অবদানকে সহজে অনুমান করা যায়। বিদ্যুৎহীন একটি দিনও কল্পনা করতে গেলে মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে। তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের মানুষের মানবকল্যাণে বিদ্যুৎ দিয়ে নিরলস সাধনায় আজ বাংলার ঘরে ঘরে তুলেছেন বৃহত্তম মানবজাতির নানা মুখী কল্যাণে বিদ্যুতের যোগাযোগ। বাংলাদেশের পল্লি উন্নয়নের চাবিকাঠি হলো,দারিদ্র্য দূরীকরণ, গ্রামীণ দরীদ্রদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন, আয় ও সম্পদের সুষম বন্টন, ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি,পরিকল্পনা প্রণয়ন,সিদ্ধান্ত গ্রহণ, পক্রিয়া বাস্তবায়ন,সুযোগ-সুবিধার অংশীদারীত্ব,পল্লি উন্নয়ন কর্মসূচির মূল্যায়ণের স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ; অপ্রতুল সম্পদের ব্যবহার ও বন্টন নিয়ন্ত্রণের জন্য গ্রামীণ জনগণকে অধিকতর অর্থনৈতিক ক্ষমতা প্রধান। তাই সঠিক কর্মসূচি নিয়ে গ্রামে জনগণের উন্নতিকল্পে এগিয়ে এনেছেন,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গ্রামের মানুষের জন্য শিক্ষার ব্যবস্থা, পল্লির অনগ্রসর মানুষদের জন্য শিক্ষার ব্যবস্থা, যাতায়াত ও মালামাল পরিবহনের জন্য রাস্তাগুলোর সংস্কার সাধন ও পর্যাপ্ত নতুন রাস্তা নির্মাণ করে যোগাযোগের ব্যবস্থা উন্নয়ন সাধন করেছেন, বর্তমান সরকার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশ রত্ন শেখ হাসিনা। বর্তমান পল্লি উন্নয়ন কর্মসূচিকে জাতীয় উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে এবং এক্ষেত্রে সরকারী প্রচেষ্টার পাশাপাশি বেসরকারি প্রচেষ্টা পল্লি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। পল্লির বৃহত্তম জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ঘটানোর জন্য কৃষি, গবাদি পশু পালন, সমবায়,স্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা,শিক্ষা,দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ, গণসচেতনা বৃদ্ধি ইত্যাদি কার্যক্রম এই কর্মসূচির আওতায় রয়েছে। সর্বোপরি উপযুক্ত আলোচনায় পল্লি উন্নয়নের জন্য যেসব পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। সরকার ইতিমধ্যে সবকটি পদক্ষেপই নিয়েছেন, তন্মধ্যে-গ্রামে শিক্ষা বিস্তারের জন্য স্কুল-কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা,গণশিক্ষা,সর্বজনীন শিক্ষা,নিরক্ষতা দূরীকরণ, বয়স্কশিক্ষা,ব্যবস্থা করেছেন। গ্রামীণ অর্থনীতিকে সবল করার জন্য সরকারি ও বেসরকারি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কুটির শিল্পে উৎকর্ষ বিধানের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দান ও মূলধন সরবরাহ করা হচ্ছে। কৃষি ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনার জন্য বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির প্রয়োগ হচ্ছে।জনস্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য নানা ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জনসখ্যা বৃদ্ধি মোকাবেলায় এবং বেকার-সমস্য ব্যবস্থাকল্পে নানাধরণের পক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। ঋণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করে গ্রামীণ উন্নয়নের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সরকার গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর) কর্মসূচির আওতায় ১ লাখ ২৪ হাজার ৩৮০ মে,টন চাল ব্যয়ে ১৪ হাজার ১৭০টি প্রপল্প বাস্তবায়ন করেছে। পল্লি উন্নয়ন সংস্থানগুলোর অস্থায়িত্ব,অযোগ্য ও দুর্নীতিপরায়ণ নেতৃত্ব,কেন্দ্রীয় শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক স্থানীয় সরকারগুলোকে অসহযোগিতা, সুবিন্যস্ত পল্লী উন্নয়ন নীতিমালার অভাব পল্লি উন্নয়ন প্রকল্প থেকে উদ্ভূত সুযোগ-সুবিধার অসম বন্টন, প্রাকৃতিক ও লাখ সম্পদের সীমাবদ্ধতা,পল্লী উন্নয়ন কর্মকান্ড ও পরিকল্পনায় উচ্চশ্রেণীর আধিপত্য এবং অসহায় এক গ্রামীণ সমাজ।