২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ৮ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

প্রচ্ছদ অর্থনীতি কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজের দাম
১৮, নভেম্বর, ২০১৯, ১২:০৭ অপরাহ্ণ -

তথ্যপ্রতিদিন. কমঃ

টানা ঊর্ধ্বগতির পর সামান্য কমেছে পেঁয়াজের দাম। গতকাল রাজধানীতে প্রতিকেজি দেশি পেঁয়াজের মূল্য ১৫-২০ টাকা কমে ২৪০ থেকে ২৬০ টাকায় বিক্রি হয়। বার্মার পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে প্রতিকেজি ১৮০ থেকে ১৯০ টাকায়। দাম কমলেও পেঁয়াজের বাজার ছিল অস্বাভাবিকই।

ক্রেতারা জানিয়েছে, সামান্য কমলেও এখনো সাধারণের ক্রয়সামর্থ্যরে বাইরে রয়ে গেছে পেঁয়াজের দাম। এ দামে পেঁয়াজ কেনা সবার পক্ষে সম্ভব নয়।

এদিকে বাজার সামাল দিতে নড়েচড়ে বসেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। মিসর থেকে কার্গো বিমানে আমদানি করা পেঁয়াজের প্রথম চালান দেশে আসছে আগামীকাল মঙ্গলবার। রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছামাত্র খালাসের পর পরই তা বাজারে ছাড়া হবে।

কোনো ধরনের ঝামেলা ছাড়া দ্রুততম সময়ে পেঁয়াজ যেন খালাস করা হয় এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এক বৈঠক থেকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। বাণিজ্য সচিব ড. জাফর উদ্দীনের সভাপতিত্বে বিমান বাংলাদেশ কার্গো হ্যান্ডেলিংস, সিভিল এভিয়েশন অথরিটি, কাস্টম হাউস, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট প্রতিনিধিরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

কার্গো বিমানে পেঁয়াজের প্রথম চালান আসছে মিসর থেকে। এ চালান নিয়ে আসছে বৃহত্তর ব্যবসায়ী গ্রুপ এস আলম। পর্যায়ক্রমে অন্য আমদানিকারকদের পেঁয়াজও কার্গো বিমানে আসবে। বিমানের পেঁয়াজ খালাসে কোনো ধরনের জটিলতা আছে কিনা, তা-ও জানতে চাওয়া হয় বৈঠকে। পেঁয়াজের সরবরাহ ও মূল্য স্বাভাবিক রাখতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে তুরস্ক, মিসর, আফগানিস্তান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে জরুরি ভিত্তিতে কার্গো বিমানে পেঁয়াজ আমদানি করা হবে বলেও জানানো হয়।

পেঁয়াজের বাজার স্বাভাবিক করার চেষ্টায় ন্যায্যমূল্যে পেঁয়াজ বিক্রি করছে টিসিবি। তবে তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। হঠাৎ অস্বাভাবিক দাম বাড়ায় মধ্যবিত্তসহ সাধারণ ও নিম্ন আয়ের ক্রেতারা ছুটছেন টিসিবির পেঁয়াজ কিনতে। এমন পরিস্থিতিতে ক্রেতাদের সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে টিসিবিও।

জিগাতলা মোড়ে ন্যায্যমূল্যে পেঁয়াজ কিনতে আসা জেবুন্নেসা নামের এক গৃহিণী বলেন, সকালের ট্রাক আসে ১২টায়। তাই ট্রাক আসার আগেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকে মানুষ। শৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্বে কেউ না থাকায় ঠেলাঠেলিতে মারামারি বেধে যায় প্রায় সময়। এমন পরিস্থিতির মধ্যে মহিলা মানুষের লাইনে টিকে থাকা মুশকিল অনেক।