১৯শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

প্রচ্ছদ সারা বাংলা বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসানকে সংবর্ধনা।
১৯, নভেম্বর, ২০১৯, ১২:২৪ অপরাহ্ণ -

সৈয়দ তপনঃ

গতকাল ১৮-১১-২০২৯ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতির সভাপতি ও বাকৃবির কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীন সমাজবিজ্ঞান অনুষদের প্রাক্তন ছাত্র সাজ্জাদুল হাসানেকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসানের বদান্যতায় কৃষি অর্থনীতি অনুষদের দীর্ঘদিনের দাবী বাস্তবায়িত হওয়ায় অর্থাৎ কৃষি অর্থনীতি বিসিএস ক্যাডারে স্বতন্ত্রভাবে অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় তার সতীর্থরা উচ্ছাসে অাবেগাপ্লুত হন এবং তার প্রতি অান্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন,যাহা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।

উপর্যুক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত মোহনগঞ্জের কৃতিসন্তান সাজ্জাদুল হাসানের পৃষ্ঠপোষকতায় প্রতিষ্ঠিত ময়মনসিংহস্থ মোহনগঞ্জ সমিতির প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি অধ্যাপক কাজী মোখলেসুর রহমান ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন।মোহনগঞ্জ সমিতির সভাপতি অধ্যাপক কাজী মোখলেছুর রহমান মহোদয়ের ফেসবুক স্ট্যাটসটি হুবুহু উদ্ধৃত্ত করে প্রকাশ করলো…

বাংলাদেশ কর্ম কমিশনে, বিসিএস কৃষি অর্থনীতি নামে একটা নতুন ক্যাডার সৃষ্টি হলো। আর এর সৃষ্টির রুপকার হলেন, ভাটিবাংলার উন্নয়নের রুপকার শ্রদ্ধেয় জনাব সাজ্জাদুল হাসান। আবারো ইতিহাস হলেন। আবারো সৃষ্টির রুপকার হলেন। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় যত দিন থাকবে সাজ্জাদুল হাসান ততদিন থাকবেন। কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদ,বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এর সাবেক, বর্তমান ছাত্র- ছাত্রীদের কৃতজ্ঞতা বোধ দেখে অভিভূত হলাম। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র, বিআরটি এর চেয়ারম্যান ও সচিব ড. কামরুল হাসান বলেন ” সাজ্জাদুল হাসানের দরবার থেকে কেউ খালি হাতে ফিরে আসে না। ৪০ বছরে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে যা হয় নাই, সাজ্জাদুল হাসান তা করে দিয়েছেন।”
কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান ও সচিব জনাব আবুল কালাম আজাদ বলেন ” আমাদের মাথার উপর সাজ্জাদুল হাসানের ছায়া আছে। আমাদের মধ্যে ছাত্র জীবন থেকেই সব চেয়ে সেরা, সব চেয়ে সৎ ও সবচেয়ে ভালো মানুষটিকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেছে নিয়েছেন।”
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক সচিব জনাব মেজবাহ উল ইসলাম বলেন ” আমার রুমমেট, ব্যাচমেট বন্ধু সাজ্জাদুল হাসান আমাদের গর্ব। ”
বিশেষ অতিথি মাননীয় প্রো ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. জসিম উদ্দিন খান বলেন “প্রো ভাইস চ্যান্সেলর পদটি জনাব সাজ্জাদুল হাসান সৃষ্টি করে দিয়েছেন। যত দিন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থাকবে তত দিন সাজ্জাদুল হাসান থাকবেন। ”
সন্মানিত অতিথি, সুবক্তা ইমেরিটাস প্রফেসর ড এম এ সাত্তার মন্ডল স্যার বলেন ” সাজ্জাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অসম্পূর্ণ কাজ করে দিয়েছে ও আমার ছাত্র, আমার গর্ব, আমাদের মেসি।”
মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা প্রফেসর ড. লুৎফুল হাসান মন্টু স্যার বলেন “আমার অনুজ সাজ্জাদ এর সাথে আমার প্রথম পরিচয় ছাত্রলীগের মিছিলে। প্রতিটি মিছিল করতো ও ভালো শ্লোগান দিত। সাজ্জাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি কমিটেড, আমাকে সব সময় পরামর্শ ও তাগিদ দিয়েছে, একটা মাদক মুক্ত, জঙ্গি মুক্ত সুশৃঙ্খল বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলার জন্য। ” সব উচ্চ পর্যায়ের গুণী বক্তার মুখে পাশাপাশি মোহনগঞ্জ নামটিও উচ্চারিত হচ্ছিল। আমাদের হাওরের বরপুত্রের প্রতি উচ্চ পর্যায়ের মানুষ গুলোর কৃতজ্ঞতাবোধ ও প্রসংশা শুনে গর্বে বুক ভরে গেল। আমার জীবনের সব চেয়ে সেরা সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পেরে গর্বিত হলাম। এশিয়ার সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নের রূপকার হলেন জনাব সাজ্জাদুল হাসান।
সংবর্ধিত হলেন সাজ্জাদুল হাসান, সংবর্ধিত হলো মোহনগঞ্জ। এই কৃতি সন্তানের অন্য মোহনগঞ্জ হলো গর্বিত। অভিনন্দন আমাদের গর্ব, হাওরের উন্নয়নের রুপকার শ্রদ্ধেয় জনাব সাজ্জাদুল হাসান।।