২৫শে এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ১২ই বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

প্রচ্ছদ জেলা/উপজেলা, ময়মনসিংহ ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলার দক্ষিণ বাঘবেড় গ্রামে অাঃ হাাই কর্তৃক গৃহবধূকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করার চেষ্টা।
২২, নভেম্বর, ২০১৯, ৫:০৫ অপরাহ্ণ -

বার্নার্ড সরকার (উপজেলা প্রতিনিধি)-

ময়মনসিংহ জেলার সীমান্তবর্তী উপজেলা ধোবাউড়ার দক্ষিণ বাঘবেড় গ্রামের মোছাঃ জোসনা আক্তার (৩৭) স্বামী-মৃত ছলিম উদ্দিন গ্রাম দক্ষিণ বাঘবেড় গ্রামের গৃহবধুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০-সংশোধনী ২০০৩-এর ৯(৪)(খ) ধর্ষনের চেষ্টা,অাসামী মোঃ আব্দুল হাই (৪৫)পিতামৃত মোহাম্মদ আলী সাং দক্ষিণ বাঘবেড় থানা-ধোবাউড়া জেলা ময়মনসিংহ।

মামলার ঘটনায় প্রকাশ, মোছাঃ জোসনা আক্তার (৩৭) স্বামী-মৃত ছলিম উদ্দিন সাং-দক্ষিণ বাঘবেড় থানা-ধোবাউড়া জেলা-ময়মনসিংহ। মোছাঃ জোসনা আক্তার (৩৭) এই মর্মে জোসনা আক্তার ধোবাউড়া থানায় হাজির হইয়া একটি অভিযোগ করিয়াছে। যে,বিবাদী ১। মোঃ আব্দুল হাই (৪৫) পিতামৃত মোহাম্মদ আলী সাং-দক্ষিণ বাঘবেড় থানা-ধোবাউড়া জেলা-ময়মনসিংহ মোছাঃ জোসনার ফুফাতো ভাই ও একই গ্রামের পাশাপাশি বাড়ীর বাসিন্দা। জোসনার স্বামী অনুমান ৩-বছর পূর্বে ৩-ছেলে ও ১-মেয়ে সন্তান রাখিয়া মারা যায়। জোসনার স্বামী মারা যাওয়ার পর সন্তানদেরকে নিয়া অতিকষ্টে জীবন যাপন করিতেছে। বিবাদী আব্দুল হাই এর ৪ মেয়ে সন্তান আছে। তবুও জোসনাকে বিবাহ করার জন্য প্রস্তাব দেয়। জোসনা উক্ত প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায়,মোঃ আব্দুল হাই জোসনার প্রতি শত্রুতা পোষণ করিয়া উক্ত মোঃ আব্দুল হাই তার অসৎ উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্য ঘটনার দিন ইং-০৩/১৯/২০১৯ তারিখ দিবাগত রাত অনুমান ০৮,০০ঘটিকার সময় খাওয়া দাওয়া শেষে জোসনার ছোট ছেলে আরিফুল ইসলাম (৪) ও মেয়ে সুমাইয়া (৭) কে নিয়া জোসনার বসত ঘরে দরজা বন্ধ করিয়া শুইয়া পড়ে। জোসনার আরেক ছেলে রাকিব মিয়া (১৭) সে জোসনার বসত ঘরের বারান্দার রুমে শুইয়া পড়ে। ঐ দিন দিবাগত রাত অনুমান ১০,০০ঘটিকার সময় বিবাদী আব্দুল হাই জোসনার বসত বাড়ী উত্তর দুয়ারী দক্ষিণ ভিটির চৌচালা টিনের বসতঘরে কৌশলে দরজা খুলিয়া জোসনার ঘরে প্রবেশ করিয়া জোসনাকে জাবড়াইয়া ধরিয়া গামছা দিয়া মুখ চাপাইয়া ধরিয়া জোসনার পড়নের কাপড় খুলিয়া উলঙ্গ করিয়া জোসনাকে জোর পূর্বক ধর্ষণ করার চেষ্টা করে। জোসনা বিবাদীর সাথে ধস্তাধস্তি করিতে থাকিলে কোন মতে ছুটিয়া ডাকচিৎকার করিলে জোসনার ডাকচিৎকার শুনিয়া পাশের রুমে থাকা জোসনার ছেলে স্বাক্ষী ১-মোঃ রাকিব মিয়া (১৭) পিতামৃত ছলিম উদ্দিন ২-মোঃ আঃ হাকিম (৬৫) ৩। আক্রাম আলী (৭২) উভয়পিতা-মৃত গুল মাহমুদ ৪। মফিজ মিয়া (৫৫) পিতামৃত খলিল হাজী ৫। হুনুফা খাতুন (৩৮) স্বামী-মজিবর রহমান সর্বসাং-দক্ষিণ বাঘবেড় সর্বথানা-ধোবাউড়া জেলা-ময়মনসিংহগন আগাইয়া আসিলে বিবাদী আব্দুল হাই জোসনার বসতঘর হইতে বাহির হইয়া দৌড়াইয়া পালাইয়া যায়। আসামী আব্দুল হাই পালাইয়া যাওয়ার সময় টর্চলাইটের আলোতে জোসনা আক্তার ও উল্লেখিত হাইকে চিনিয়াছে। ঘটনার বিষয়ে স্থানীয় ভাবে আপোষ মীমাংসার চেষ্টা করিয়া ব্যর্থ হইয়া এবং জোসনার আত্নীয় স্বজনদের সাথে আলাপ আলোচনা করিয়া ধোবাউড়া থানায় আসিয়া অভিযোগ দায়ের করিতে বিলম্ব হইল। স্বাক্ষীগন ঘটনা জানেন এবং সত্যতা প্রমান করিবেন। অতএব,উপরোক্ত বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার আবেদন করিয়াছেন। ধোবাউড়া থানা জেলা ময়মনসিংহ নিবেদক মোছাঃ জোসনা আক্তার তাং ১৬/১১/২০১৯-ইং।