২৩শে এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ১০ই বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

প্রচ্ছদ ফিচার দুর্নীতিমুক্ত,স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক সিভিল প্রশাসন গড়ে তুলতে ও সকল সেবা জনগণের দোড়গোড়ায় পৌঁছাতে কাজ করছি।।ডিসি মিজানুর রহমান
২৩, নভেম্বর, ২০১৯, ১:২৪ অপরাহ্ণ -

মারুফ হোসেন কমলঃ

ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসনকে একটি দুর্ণীতিমুক্ত,স্বচ্ছ ও জনবান্ধব প্রশাসন হিসাবে গড়ার মাধ্যমে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসন কে একটি জনকল্যাণকর প্রশাসন হিসাবে জনগণকে উপহার দিতে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মোঃ মিজানুর রহমান। ময়মনসিংহে যোগদানের পর থেকেই তিনি অবহেলিত ময়মনসিংহ জেলার উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। দালাল, ঘুষ, দূর্নীতি, মাদকমুক্ত মডেল জেলা গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে কাজ করে চলেছেন তিনি। ময়মনসিংহবাসী পেয়েছেন অক্লান্ত পরিশ্রমী তারুণ্যের প্রতিক একজন জনবান্ধব অভিভাবককে । অসহায়, দারিদ্র, নিপিড়িত তথা সুবিধা বঞ্চিত লোকজন ময়মনসিংহের ডিসি হিসাবে মিজানুর রহমানের যোগদানে তাদের আস্থার জায়গা খুঁজে পেয়েছেন। এলাকাবাসী ও সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা যায়, ডিসি মিজানুর রহমান এ জেলায় যোগদানের মাত্র কয়েকমাস অতিবাহিত হতেই দক্ষতা ও সততার মাধ্যমে সর্বস্তরে সাড়া ফেলতে সক্ষম হয়েছেন। এলাকার কোন সমস্যা বা সম্ভাবনার তথ্য পাওয়ার সাথে সাথেই তিনি সেখানে ছুটে যান খোঁজ নিতে। এর আগে নওগাঁ জেলার ডিসি হিসাবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করে গত ২রা জুলাই ২০১৯ইং তারিখে ময়মনসিংহের ডিসি হিসাবে যোগদান করেন তিনি। নওগাঁ জেলায় দায়িত্বে থাকাকালীন সময়ে যথাযথ দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ব্যতিক্রমী বহু জনকল্যাণকর কাজ করে সুনাম অর্জন করেছিলেন তিনি ।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,বাংলার উন্নয়নের রুপকার বঙ্গকন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা যে উদ্যেশ্য নিয়ে ময়মনসিংহ কে বিভাগ বাস্তবায়ন করেছেন সে লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন ২০তম বিসিএস ব্যাচের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ক্যাডার সার্ভিসে যোগদানকারী জনবান্ধব এই সরকারী কর্মকর্তা ডিসি মিজানুর রহমান। সম্প্রতি পেয়াজ লবণসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিষপত্রের মুল্য বৃদ্ধির গুজব মোকাবেলায় তিনি কঠোর অবস্থানে থেকে জিনিষপত্রের মুল্য স্থিতিশীল রেখেও ময়মনসিংহবাসীর কাছে বেশ প্রশংসার দাবীদার হয়ে উঠেছেন। তার নির্দেশনাতেই-জেলার বিভিন্ন উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসাররা পেয়াজ ও লবনের মুল্য বৃৃদ্ধির গুজব প্রতিরোধে ব্যাপক অভিযান চালিয়ে সরকারের ভাবমুর্তিকে জনতার কাছে প্রশংসিত করতে সক্ষম হয়েছেন।

গত ২রা জলাই ২০১৯ইং তারিখে তিনি ময়মনসিংহের ডিসি হিসাবে যোগদানের পর থেকে অদ্যাবধি নিজেকে মানবসেবায় সর্বদা নিয়োজিত রেখেছেন । জেলার যে কোনো সমস্যার সমাধানে বিদ্যুতের গতিতে পদক্ষেপ নিচ্ছেন। প্রতিটি এলাকায় শুরু করেছেন উন্নয়নের ছোয়া ও দুস্থ অসহায়দের সহযোগিতা এগিয়ে যাচ্ছেন। এছাড়া যেখানে অনিয়ম দেখছেন সেটাকে তিনি শক্ত হাতে দমন করছেন। নিরপেক্ষ জায়গা হিসাবে সকলে খুজে নিয়েছেন ডিসি মিজানুর রহমানকে।

ময়মনসিংহের জলাবদ্ধতা নিরসনে ও পরিস্কার পরিচ্ছন্ন জেলা গড়তে নিয়েছেন জরুরী পদক্ষেপ। ময়মনসিংহ নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে ও বিভিন্ন বাজারের পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতায় তিনি সরেজমিনে তদন্ত করে চেম্বার কমার্স ও ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে ব্যবস্থা করেছেন। বিভিন্ন বাজারের জলাবদ্ধতা ও ময়লা-আবর্জনা নিরসনসহ নিষিদ্ধ পলিথিন বয়কটের আহবান জানিয়েছেন। পরিবেশ সংরক্ষনের জন্যও সকলকে সচেতন করছেন। মাদক নির্মূলে মাদক বিরোধী অভিযান করার পাশাপাশি নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছেন। ডিজিটাল পদ্ধতিতে মনিটরিং জোরদার করতে সমগ্র জেলাকে সিসি টিভির আওতায় আনার চেষ্টা কররছেন তিনি।

ময়মনসিংহের বেধেঁ ও হিজরা সম্প্রদায়কে বিভিন্ন কর্মে প্রতিষ্ঠিত করতে প্রশিক্ষণের উদ্ভোধন করেছেন তিনি। ঐতিহ্যবাহী মৃৎ শিল্পকে পুনরুদ্ধার করতে পাল পাড়ায় পরিদর্শন করে উন্নত প্রশিক্ষণের পরিকল্পনা সহ মৃৎশিল্পের সমিতির বরাদ্দ দিয়ে ব্যবস্থার দায়িত্ব দিয়েছেন সমবায় দপ্তরকে। এছাড়া ভূমি অফিসের বিভিন্ন সমস্যা ও জটিলতা শক্ত হাতে দমন করে চলেছেন তিনি।

শিক্ষা,স্বাস্থ্য- ভূমি অফিসের দূর্ণিতির বিরুদ্ধে দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছেন ডিসি মিজানুর রহমান। ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক তত্তাবধানে নানা প্রতিকূলতার মধ্যে সরকারি সস্পত্তি উদ্ধার করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ময়মনসিংহের জনবান্ধব ডিসি মিজানুর রহমান। তিনি যোগদানের পর সরকারের খাঁস জমি অবৈধ দখলদারদের কবল থেকে দখলমুক্ত করে সরকারি জিম্মায় এনেছেন। দীর্ঘদিন ধরে এসব জমি প্রভাবশালী ব্যক্তি ও ভূমিদস্যুদের ভোগ দখলে ছিলো। ডিসির নির্দেশে সার্টিফিকেট মামলার কেস নথিগুলো রেগুলার করা হয়েছে। ভিপি আদায় বৃদ্ধির জন্য অচল নথির পুরাতন ইজারাদারকে নোটিশ প্রদান করা হচ্ছে। নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনার কারণে একদিকে স্বভাবিক জীবন যাপন করতে পারছেন সাধারন জনগন।
অপরদিকে জরিমানা আদায়ের ফলে সরকারী কোষাগারে অর্থ বৃদ্ধি পাচ্ছে। সরকারের বরাদ্দকৃত ঘর সহ বিভিন্ন কাজ সঠিক ভাবে মনিটরিং করছেন তিনি। ফলে কাজের মান নিয়ে জটিলতা দুর হবে বলে জনসাধারন মনে করছেন।

জেলা প্রশাসক মিজানুর রহমান বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক ময়মনসিংহ জেলাকে শতভাগ দুর্ণীতিমুক্ত করতে কাজ করে যাচ্ছি। ভূমি দস্যু,দূর্ণীতিবাজ,মাদক, সন্ত্রাস দালালদের কোন অবস্থাতেই ছাড় দেওয়া হবেনা। তিনি বলেন, সকল ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা করে একটি জনকল্যাণমুখী গতিশীল প্রশাসন গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছি। সকলের সহযোগিতায় মময়মনসিংহ জেলা থেকে অনিয়ম, দূর্ণীতি,মাদকমুক্ত করে জেলাকে প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের মডেল জেলায় রূপান্তিত করবো ইনশাল্লাহ।।