১৯শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

প্রচ্ছদ বিনোদন বিলাসবহুল গাড়ি কিনলেন কার্তিক আরিয়ান
১৬, মার্চ, ২০২৪, ৯:৩২ অপরাহ্ণ - প্রতিনিধি:

বিনোদন তথ্য প্রতিদিন: কার্তিক আরিয়ান তার ইনস্টাগ্রামে একটি ছবি পোস্ট করেছেন। তাতে দেখা যায়, পোষ্য কুকুর নিয়ে ক্যাজুয়াল পোশাকে রেঞ্জ রোভার গাড়িতে শুয়ে ফ্রেমবন্দি হয়েছেন কার্তিক আরিয়ান। দ্য ইকোনোমিক টাইমসের তথ্য অনুসারে, কার্তিক আরিয়ান কালো রঙের যে গাড়ি কিনেছেন এটি রেঞ্জ রোভার এসভি মডেলের। বর্তমানে এ গাড়ির মূল্য ৬ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৭ কোটি ৯৮ লাখ টাকার বেশি)। কার্তিক আরিয়ান অভিনীত সর্বশেষ সিনেমা ‘সত্য প্রেম কি কথা’। সিনেমাটিতে তার সঙ্গে জুটি বেঁধে অভিনয় করেন কিয়ারা আদভানি। সমীর বিদ্যানস পরিচালিত এ সিনেমা গত বছরের ২৯ জুন মুক্তি পায়। কার্তিকের পরবর্তী সিনেমা ‘চান্দু চ্যাম্পিয়ন’। কবীর খান পরিচালিত এ সিনেমায় নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন কার্তিক। গত মাসে দৃশ্যধারণের কাজ শেষ হয়েছে। বর্তমানে পোস্ট প্রোডাকশনের কাজ চলছে। চলতি বছরের ১৪ জুন এটি মুক্তির কথা রয়েছে। তা ছাড়াও ‘ভুল ভুলাইয়া থ্রি’ সিনেমার কাজও তার হাতে রয়েছে। ঝাঁ চকচকে সুপার স্টাইলিশ গাড়ি কিনলেন কার্তিক। বিশ্বের অন্যতম বিলাসবহুল চার চাকা রেঞ্জ রোভার এসভি মডেল কিনেছেন তিনি। বাজারে যার মূল্য ৬ কোটি রুপি। সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে নিজেই সেই গাড়ির ছবি দিয়েছেন অভিনেতা। পোষ্যের সঙ্গে গাড়ির ছবি শেয়ার করেছেন কার্তিক আরিয়ান। এই মুহূর্তে ভুল ভুলাইয়া ৩-এর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। অভিনেত্রী তৃপ্তি দিমরির বিপরীতে এই সিনেমায় অভিনয় করবেন কার্তিক আরিয়ান। এই সিনেমার জন্য অপেক্ষায় কার্তিক ভক্তরা। বলি পাড়ায় একাধিক হিট সিনেমা দর্শক উপহার দিয়েছেন তিনি। তবে তিনি যে একজন কার লাভার তার ইঙ্গিতও মিলেছে। এদিন যে ছবিটি শেয়ার করেছেন তার ক্যাপশনে লেখা, ‘আমাদের রেঞ্জ এবার বেড়ে গেল।’  প্রসঙ্গত রেঞ্জ রোভার বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় একটি গাড়ি ব্র্যান্ড। ভারতে বিশেষ করে এই কোম্পানির চর্চা বেশ শোনা যায়। অনেকেই জানেন না, রেঞ্জ রোভার কোম্পানির মালিক টাটা মোটরস। ২০০৮ সালে জাগুয়ার ল্যান্ড রোভার কিনে নেয় টাটা, যার অধীনে বিক্রি হয় এই রেঞ্জ রোভার গাড়ি। কার্তিক আরিয়ানের রেঞ্জ রোভারের বিশেষত্ব কী? নিখুঁত কারুকার্য এবং বিলাসবহুল ফিচার সম্পন্ন একটি গাড়ি রেঞ্জ রোভার এসভি। চার চাকায় রয়েছে ১৩.১ ইঞ্চির বড় টাচস্ক্রিন ইনফোটেনমেন্ট সিস্টেম। যা চালক এবং যাত্রীদের বিনোদন দিতে সাহায্য করে। গাড়ির পেছনে যারা বসবেন তাদের জন্য মজুত বিশেষ কন্ট্রোলার। এটি বিলাসিতা এবং কমফোর্ট সম্পর্কিত ফিচার্স অ্যাক্সেস করতে দেয়। গাড়ির ইঞ্জিনেও রয়েছে সেরা বৈশিষ্ট্য। উল্লেখযোগ্য ফিচার্স হল, এটি একটি প্লাগ-ইন হাইব্রিড গাড়ি। যা সম্পূর্ণ পেট্রোল ইঞ্জিনের উপর নির্ভর করে না। এতে রয়েছে ৩ লিটার ৬ সিলিন্ডার ইঞ্জিন, ব্যাটারি ও ইঞ্জিন সম্মিলিত ভাবে ৪০৪.৫ কিলোওয়াট শক্তি তৈরি করতে পারে।রেঞ্জ রোভার এসভির পেট্রোল এবং ডিজেল ভ্যারিয়েন্টও রয়েছে। যেখানে টার্বো চার্জ ইঞ্জিনের সঙ্গে পাওয়া যাবে সঙ্গে মাইল্ড হাইব্রিড সিস্টেম। গাড়ির সর্বোচ্চ গতি ২৫০ কিমি প্রতি ঘণ্টা, রয়েছে ফোর হুইল ড্রাইভ এবং অল হুইল ড্রাইভ বিকল্প। গাড়ির সেফটি ফিচার্সও দুর্দান্ত। যাত্রী ও চালকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য রয়েছে অ্যাডভান্স ড্রাইভার অ্যাসিস্ট্যান্স সিস্টেম, ছয়টি এয়ারব্যাগ, টায়ার প্রেশার মনিটরিং সিস্টেম, সিট বেল্ট ওয়ার্নিং, স্পিড সেন্সিং ডোর লক, চাইল্ড সেফটি লক ইত্যাদি।